Header Ads Widget

বাংলা নতুন বছর ১৪৩২ কে খুব সুন্দর ভাবে বরণ করলো জলসা কুটির

 

*

নিউজ ডেক্স

VOICE TAKE
বাংলা নতুন বছর ১৪৩২ কে খুব সুন্দর ভাবে বরণ করলো জলসা কুটির । নববর্ষের সন্ধ্যায় দমদম সেন্ট্রাল জেল মোরে শ্রী গোবিন্দ আচার্য্য মহাশয়ের শিব কালী মন্দিরের আঙ্গনে কবি ও সমাজ সেবী জয়ন্ত চক্রবর্তী এবং চলচ্চিত্র পরিচালক শ্রী পলাশ বৈরাগীর ব্যবস্থাপনায় এবং শ্রী গোবিন্দ আচার্য্য মহাশয়ের সহযোগিতায় *বৈশাখী বৈঠকী জলসা* নামে একটি সুন্দর আনন্দ সন্ধ্যা অনুষ্ঠিত হয় গেলো। গান, কবিতা নাচ এবং পারস্পরিক গল্পের মধ্যে দিয়ে অনুষ্ঠানটি একটি সত্যিকারের বর্ষবরণের রূপ নেয়। 
অনুষ্ঠানের শুরুতে শ্রীমতি নিবেদিতা বসুর দুটি অসাধারণ রবীন্দ্র সঙ্গীত অনুষ্ঠানের পরিবেশকে একটি সুন্দর আবহাওয়ার সৃষ্টি করে। এর পর শিল্পী উপাসনা মালিকের সঙ্গীত পরিবেশন সাথে শিশু শিল্পী ঐন্দ্রিলা চক্রবর্তীর অসাধারণ সঙ্গীত পরিবেশন উপস্থিত শ্রোতাদের মুগ্ধ করে দেয়। এই অনুষ্ঠানে অনেক গুণী ব্যক্তিরা উপস্থিত থেকে তাদের নিজ নিজ উপস্থাপনায় অনুষ্ঠানের মাধুর্য্য বৃদ্ধি করে। উপস্থিত ছিলেন বেতার ও দূরদর্শনের সঞ্চালক ও তথ্য দপ্তরের সাংস্কৃতিক দপ্তরের গুরুত্বপুর্ণ শিল্পী শ্রী শিবাজী চট্টোপাধ্যায় মহাশয়। তিনি নিজে কবিতা আবৃত্তি করে বর্ষবরণের সন্ধ্যাকে সার্থক করে তোলেন। তার কণ্ঠে স্বামী বিবেকানন্দের *স্বহম* কবিতা টি সবাইকে মুগ্ধ করে দেয়। 
এই অনুষ্ঠানে সঙ্গীত শিল্পী বলরাম চক্রবর্তী, অর্পিতা বিশ্বাস, কৃষ্ণা বৈদ্য, সহ অনেক শিল্পী সঙ্গীত পরিবেশন করেন। কবিতা পাঠেও উজ্জ্বল হয়ে ওঠে এই সন্ধ্যা। উপস্থিত থেকে স্বরচিত ও অন্যান্য কবির কবিতা পাঠ করেন আর্ন্তজাতিক খ্যাতি সম্পন্ন কবি মিলি দাস, দূরদর্শনের সঞ্চালিকা ও আবৃত্তিকার সোমা রায়, নাট্য কর্মী এবং সাহিত্যিক নবনীতা ব্যানার্জী ,জয়ন্ত চক্রবর্তী, তুলি সহ আর অনেকে। নৃত্যে ছোট্ট রাজশ্রী দুটি নাচের মধ্যে দিয়ে অনুষ্ঠানকে উজ্জ্বল করে তোলে। 
উদীয়মান নায়ক জয় ও জিতু অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে মঞ্চকে আলোকিত করে ।
এই দিন বৈশালী সঙ্গীত একাডেমির কর্ণধার এবং শিক্ষিকা বৈশালী দাস তার সঙ্গীত পরিবেশনার মধ্যে দিয়ে অনুষ্ঠানকে সর্বাঙ্গ সুন্দর করে তোলে। 
এছাড়াও বিশিষ্ট ব্যক্তিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন নৃত্যাচার্য্য শ্রীমতি শম্পা সরকার, বিশিষ্ট সমাজ সেবী শ্রী নিরুপম মন্ডল, হস্তরেখা বিশেষজ্ঞ শ্রী সংগয় শাস্ত্রী মহাশয় সহ আরো অনেকে।
সর্ব শেষ এই বৈশাখী আড্ডা অনুষ্ঠানের মুখ্য ব্যবস্থাপক চিত্র পরিচালক পলাশ বৈরাগী তার নিজস্বতায় সঙ্গীত উপহার দেন, সাথে বৈশালী , উপাসনা শর্মিষ্ঠা ও বলরামকে নিয়ে এই অনুষ্ঠানকে সত্যি এক আনন্দময় বৈঠকী রূপে পরিণত করে। এরপর অনুষ্ঠানের মুখ্য আয়োজক ও সবার শ্রদ্ধেয় শ্রী গোবিন্দ আচার্য্য মহাশয় জলসা কুটির আয়োজিত এই ঘরোয়া বৈঠকী জলসার সমাপ্তি ঘোষণা করেন এবং আগামী দিনে এইরকম আরো আনন্দময় অনুষ্ঠানের আয়োজনের কথা বলে অনুষ্ঠানের পরিসমাপ্তি ঘোষণা করেন। অনুষ্ঠান শেষে উপস্থিত সবার জন্য ছিল শ্রী গোবিন্দ আচার্য্য মহাশয়ের দেওয়া নতুন বছরের ক্যালেন্ডার, শিবকালি মন্দিরের প্রকাশনায় নতুন ১৪৩২ সালের পঞ্জিকা ,সাথে মিষ্টি মুখের জন্য একটি মিষ্টির বাক্স ও একটি ব্যাগ। 

Post a Comment

0 Comments