Header Ads Widget

১৬ই এপ্রিল অগ্নিযুগের বিপ্লবী উল্লাসকর দত্তর, ১৪০তম জন্মজয়ন্তী


 

গত ১৬ই এপ্রিল অগ্নিযুগের বিপ্লবী উল্লাসকর দত্তর, ১৪০তম জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে  কলকাতার বিপ্লব তীর্থক্ষেত্র মুরারিপুকুরের ঋষি অরবিন্দ ঘাটে এক বিশেষ স্মরণ সভার আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন ভারতের গুডউইল এম্বাসেডর , আই এ এ ইউনেস্কোর চ্যানেল পার্টনার মাননীয় বিপ্লব রায় মহাশয়।  অনুষ্ঠানের পৌরোহিত্য করেন শহীদ প্রফুল্ল চাকির প্ৰপৌত্র শ্রী সুব্রত চাকি। উপস্থিত ছিলেন বিপ্লবী উল্লাসকর দত্তের ভ্রাতুষ্পৌত্র শ্রী কৌশিক দত্ত গুপ্ত , বিপ্লবী নরেন্দ্রনাথ বক্সীর পৌত্র শ্রী শোভনলাল বক্সী , বিপ্লবী হৃষিকেশ চক্রবর্তীর নাতনি শ্রীমতি মিঠু চক্রবর্তী , পন্ডিত ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের পরিবারের সদস্য তথা মিশন বিদ্যাসাগরের কর্ণধার শ্রী অমিতাভ বন্দোপাধ্যায় , বিপ্লবী অনুকূল চন্দ্র মুখার্জির ভ্রাতুষ্পুত্র স্বর্গীয় গোপাল মুখার্জির (গোপাল পাঁঠা) নাতি শ্রী শান্তনু মুখার্জি ,  শহীদ তারকেশ্বর সেনগুপ্তের ভাইপো শ্রী পরিমল সেনগুপ্ত , শহীদ বসন্ত বিশ্বাসের নাতি শ্রী তরুণ বিশ্বাস  , প্রবীণ স্বাধীনতা সংগ্রামী শ্রী হরেন বাগচী,   ভারতভাবনা দলের প্রেসিডেন্ট শ্রী তরুণভারত ব্যানার্জ্জী , দিব্যজ্যোতির  সেক্রেটারি শ্রী প্রদীপ দত্ত, বিশিষ্ট কবি ও লেখক শ্রী জয়ন্ত চক্রবর্তী মহাশয় সহ বহু বিশষ্টজন। ভারতীয় স্বাধীনতা সংগ্রাম গবেষক  শ্রীমতি পুষ্প চ্যাটার্জি দত্ত ,  শ্রীমতি প্রগতি ব্যানার্জিরা ভারতীয় ইতিহাসের সঠিক চর্চার গুরুত্বের কথা তুলে ধরেন। আড়াই ঘন্টার বেশি সময় ধরে চলা এই অনুষ্ঠানে সমাজের বিভিন্ন স্তরের বিশিষ্ট মানুষজন বিপ্লবী উল্লাসকর দত্তের মনন ও চিন্তাধারার মাধ্যমে কিভাবে সমাজকে উৎকর্ষতার শিখরে নিয়ে যাওয়া যায় , সেই বিষয়ে তাঁদের মূল্যবান বক্তব্য রাখেন।  অনুষ্ঠানের সঞ্চালনা করেন বিপ্লবী দেবেশ কুন্ডুর নাতি শ্রী সুবীর কুমার কুন্ডু মহাশয়। 


বিপ্লবীর ভ্রাতুষ্পৌত্র শ্রী কৌশিক দত্ত গুপ্ত  আমাদের সংবাদমাধ্যমকে  জানান , ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসের পুনর্মূল্যায়ন করে সংগঠিতভাবে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে বিপ্লবী উল্লাসকর দত্তদের মতন অখ্যাত বিপ্লবীদের বীরগাথা তুলে ধরতে হবে।  বীরাঙ্গনা রানী দুর্গাবতীর পরিবার, বিপ্লবী রাম কৃষ্ণ ক্ষাত্রী সহ তৎকালীন HSRA র সদস্য শহীদ রাজগুরুর ও সুখদেব থাপরের পরিবারের পক্ষ হতেও বিপ্লবী উল্লাসকর দত্তের জন্মদিনে দূরাভাষের মাধ্যমে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করা হয়েছে।

Post a Comment

0 Comments